সম্পাদক:
বছর ঘুরে আসে কুরবানির ঈদ তথা হজ্জের মাস। যা আরবি জিলহজ্জ মাস নামে পরিচিত মুসলিম ওম্মার কাছে। ইসলাম ধর্মের আদি পিতা হযরত ইব্রাহিম আঃ এর স্মৃতি বিজরিত কুরবানি তথা ত্যাগের স্বাক্ষী হয়ে মহান আল্লাহর কাছে পরীক্ষা দিয়ে নিজের পুত্র কে জবেহ করার পরীক্ষায় পাশ করেন।
মুসলমানরা তাদের নবীর ধারাবাহিকতায় মুমিনগণের ঈমানি পরীক্ষার অংশ হিসাবে হজ্জ করতে যান তারু স্মৃতি বিজরিন মক্কায়। আর সেই হজ্জের মাস খুবি পুরুত্ব পূর্ণ হওয়াই আরবি জিলহজ্জ মাসের ফজিলত অনেক।
জিলহজ্জ মাসের কিছু গুরুত্বপূর্ণ আমল সমূহঃ
১* নক ও চুল না কাটাঃ
জিলহজ্জ মাসে চাঁদ ওঠার সময় থেকে কুরবানি করা পর্যন্ত শুধু কুরবানিদাতার নিজ অঙ্গের নক-চুল না কাটা সুন্নত বা মুস্তাহাব। যা আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মাদ সাঃ আমল করতেন। হাদিস দ্বারা প্রমাণিত।
২* বেশি বেশি নফল ইবাদত ও দান করাঃ
জিলহজ্জ মাসের চাঁদ ওঠার দিন থেকে নবী করিম সাঃ বেশি বেশি নফল নামাজ, তিলাওয়াত,জিকির করেন। হাদিসে উল্লেখিত — সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার — বেশি বেশি জিকির করতেন। এবং বিশেষ করেও দান-সাদাকাহ করতেন।
৩* আরাফার দিনে রোজা রাখাঃ
ইয়াওমে আফারা তথা আফার দিন বলতে ৯ জিলহজ্জে কথা পবিত্র কুরআনে উল্লেখ আছে এবং হাদিস দ্বারাও প্রমাণিত। প্রিয় নবীও রোজা রাখতেন এবং রোজা রাখার কথা গুরুত্ব দিয়ে বলেন–
আরাফার দিনে যে রোজা রাখবে, তার জীবনের পিছনের সমস্ত গোনাহ এবং পরবর্তী এক বছরের গোনাহ করে দেয়া হবে।
৪* তাকবিরে তাশরিক পাঠ করাঃ
আইয়া’মে তাশরিক বলা হয় ৯ জিলহজ্জ ফজর থেকে ১৩ জিলহজ্জ আসর পর্যন্ত দিন সমূহে ফরজ নামাজ শেষে তাকবির (নিম্মের দোয়া) পাঠ করা ওয়াজিব—
আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লালাহু, ওয়াল্লাহু আকবার,ওয়াল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদ।
৫* কুরবানি করা (ওয়াজিব হলে):
ঈদের দিনে যার ওপর ঋণ বাদ দিয়ে নিসাব পরিমাণ সম্পদ তথা কমপক্ষে সাড়ে বায়ান্ন তুলা রুপার পরিমান অর্থ(বর্তমানে ৭০,০০০ থেকে ৮০,০০০টাকা) থাকে তার ওপর কুরবানি করা ওয়াজিব।
মাওলানা মো: আব্দুল্লাহ আল মামুন।
কামিল (হাদিস) ।
Leave a Reply